কাজী হায়াৎ নিজেই জানালেন, তিনি মারা যাননি! – ষ্টারটক বিডি
ষ্টারটক বিডি
কাজী হায়াৎ নিজেই জানালেন, তিনি মারা যাননি!

কাজী হায়াৎ নিজেই জানালেন, তিনি মারা যাননি!

জনপ্রিয় নির্মাতা কাজী হায়াৎ মারা গেছেন দাবি করে বুধবার বিকেল থেকেই গুজব ছড়াতে থাকে কিছু অনলাইন মিডিয়া। সে গুজব ডালপালা ছড়ায় ফেসবুকের কল্যানে। তবে সন্ধ্যার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের প্রিসবিটারিয়ান উইল কর্নেল হাসপাতাল থেকে ফেসবুক লাইভে এসে কাজী হায়াৎ জানান, তিনি বেঁচে আছেন। তিনি মারা যাননি।

এর আগে বুধবার বিকেল থেকে খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎ এর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ গুজব দাবি করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের প্রেসবাইটেরিয়ান হাসপাতালে কিছুক্ষণের মধ্যে এনজিওগ্রাম করা হবে। এরপর ব্রেইনে অপারেশনের জন্য থিয়েটারে নেওয়া হবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের প্রিসবিটারিয়ান উইল কর্নেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক কাজী হায়াৎ। সম্প্রতি তার ঘাড়ের একটি রক্তনালীতে ব্লক ধরা পড়েছে। চিকিৎসায় শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি দেখা যায়নি। ব্রেইনের এনজিওগ্রাম করে ব্লকের পরিমাণ জানা যাবে। ফলাফল অনুকূলে থাকলে সার্জারি করা হবে।

আর এমন অবস্থায়ই ফেসবুকে কাজী হায়াতের মৃত্যুর গুজব প্রচার হয়। গুজবের পর বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে কাজী হায়াৎ বলেন, আমি খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি। তবে আমি মারা যায়নি। যারা এমন খবর ছড়াচ্ছেন শুনে খুবই কষ্ট পেলাম।’

যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে কাজী হায়াতের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার ছেলে কাজী মারুফ। ইতোমধ্যে তিনি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। নিয়মিত বাবার জন্য দোয়া চাচ্ছেন।

বুধবার সকালে কাজী মারুফ ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘এখন থেকে ১২ অথবা ১৪ ঘণ্টা পর আমার আব্বার ব্রেইনের এনজিওগ্রাম করা হবে। দেখা হবে কতখানি ব্লক আছে। আমি অনুরোধ করবো সবাইকে, সবাই দোয়া কোরবেন। যেন সার্জারি করার উপযুক্ত অবস্থা থাকে এবং উনি পূর্ণ সুস্থ হন।’

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ কাজী হায়াৎ

বিগত কয়েক বছর ধরে কাজী হায়াৎ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ১৯৯৩ সালে তার হার্টে সমস্যা দেখা দেয়। তখন তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন তিনি ভারতের বিরলা হার্ট সেন্টারে গিয়ে চিকিৎসা নেন।

এরপর ২০০৪ সালে আবারও সমস্যা দেখা দেয়। তখন তার হার্টে ৪টি রিং বসানো হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওপেনহার্ট সার্জারি করা হয়। গেলো বছরের জানুয়ারি মাসে নতুন করে হার্টে সমস্যা দেখা দিলে এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী তাকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেন।

কাজী হায়াৎ ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের সঙ্গে ‘সীমানা পেরিয়ে’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে ‘দি ফাদার’ ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। কাজী হায়াৎ অর্ধশতাধিক চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। তিনি অর্জন করেছেন বেশ কয়েকটি পুরস্কার।

আরও পড়ুন

জমজমাট ফেব্রুয়ারি মাতাবেন শাকিব-বাপ্পি-সিয়াম-মৌসুমী-মাহি

ষ্টারটক বিডি ডটকম

একের পর এক খোলামেলা ছবি ফেসবুকে! সমালোচনার মুখে পরীমনি!!

ষ্টারটক বিডি ডটকম

শাকিব খান বললেন, বলিউডে অভিনয় করবো কোনদিনই বলিনি

ষ্টারটক বিডি ডটকম

জাজের বাইরে নতুন সিনেমায় জিয়াউল রোশান!

শাহাদাৎ খান

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তাহসান খান ও আফরান নিশো এক সিনেমায়!

ষ্টারটক বিডি ডটকম

বাপ্পি চৌধুরী বললেন, এটা করে কী পেলাম?

ষ্টারটক বিডি ডটকম