fbpx
ষ্টারটক বিডি ডটকম
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন না যে তারকারা

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন না যে তারকারা

অবশেষে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করেছেন ক্ষমতাসিন দল আওয়ামী লীগ। ২৩০টি আসন নিজেদের জন্য রেখে বাকি ৭০টি ছেড়ে দিয়েছে জোটের প্রার্থীদের জন্য। কিন্তু দীর্ঘ এ মনোনয়ন তালিকায়ও স্থান পাননি বেশিরভাগ তারকা। অথচ মনোনয়ন কেনার সময়ও তারা বেশ আশাবাদি ছিলেন।

জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন ঢালিউড অভিনেতা নায়ক ফারুক, শাকিল খান, আসাদুজ্জামান নূর, খলনায়ক মনোয়ার হোসেন ডিপজল, অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী, তারানা হালিম, শমী কায়সার, তারিন জাহান, রোকেয়া প্রাচী, জ্যোতিকা জোতি, টিভি অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান এবং সঙ্গীতশিল্পী মমতাজ বেগম।

তবে দীর্ঘ এ তালিকা থেকে এবার মনোনয়ন পেয়েছেন মাত্র তিনজন। নায়ক ফারুক, আসাদুজ্জামান নূর এবং মমতাজ বেগম। ফারুক ঢাকা ১৭ আসন, আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারী-২ এবং মমতাজ বেগম মানিকগঞ্জ-২ থেকে নির্বাচন করবেন।

বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন চিত্রনায়ক শাকিল খান। মনোনয়নপত্র কেনার পর শাকিল খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে (বাগেরহাট -৩ আসনে) সংসদীয় এলাকায় কাজ করতে বলেছেন। সেই অনুযায়ী আমি দলীয়ভাবে মোংলা-রামপাল এলাকায় জনসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছি। গণসংযোগকালে এলাকায় সন্তান হিসেবে ব্যাপক সাড়াও পেয়েছি। আমি নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী) কাছে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাই, সেজন্য দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র কিনেছি।’

ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ফরম কেনার পরে মনোয়ার হোসেন ডিপজল সাংবাদিকদের জানান, আগামী নির্বাচনে আমি ঢাকা-১৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করে এই আসনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিতে চান।

টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য তিনি মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন টিভি অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানও। তখন সিদ্দিকুর বলেন, ‘আমি ২০০৮ সাল থেকে এলাকায় গণসংযোগ করছি। এলাকার নানা উন্নয়মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত আছি। নিজের হাতে অনেকগুলো সংগঠন করেছি এলাকায়। মাঝখানে আমি ভেবেছিলাম নির্বাচনে অংশ নেব না। কিন্তু এখন চূড়ান্ত করেছি নির্বাচনে অংশ নেবো।’

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তবে ওই আসনে দলটির পক্ষ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু (টাঙ্গাইল-৬)। বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল বাতেনও মনোনয়ন পাননি।

তারানা হালিম এর আগে দুইবার সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদে তিনি ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া ঢাকা-১৭ আসনে নৌকা প্রতীক পেতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী। ফেনী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী। ফেনী জেলার সোনাগাজী-দাগনভূঞা উপজেলার নৌকার হাল ধরতে চেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচী।

আরও পড়ুন

ফের ঢালিউডে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়!

ষ্টারটক বিডি ডটকম

বিয়ের পর চাকুরীতে যোগ দিলেন সিয়াম আহমেদ

ষ্টারটক বিডি ডটকম

যে কারণে চলচ্চিত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না শাকিব খান

ষ্টারটক বিডি ডটকম

যে কারণে নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন না অপু বিশ্বাস!

ষ্টারটক বিডি ডটকম

মৌসুমী এখনই মা হতে চাইছেন না!

ষ্টারটক বিডি ডটকম

পরীমনি ছুটছেন! ছুটছে ঘোড়া!!

ষ্টারটক বিডি ডটকম